Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলির মধ্যে অন্যতম। জন্ম হইতে মৃত্যু পর্যন্ত একদিনও খাদ্য ছাড়া চলে না। ১৯৪৩ সালে অবিভক্ত বাংলায় এক দূর্ভিক্ষের সৃষ্টি হয়।  দূর্ভিক্ষের পটভূমিতে ১৯৪৩ সালে সৃষ্ট বেসামরিক সরবরাহ বিভাগের উপর জরচরী দ্রব্যাদি সরবরাহ ও উহার মূল্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব অর্পিত হয়। খাদ্যশস্য সরবরাহ, মূল্য ও পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ এবং তদারকী ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ‘‘বেঙ্গল রেশনিং আদেশ ১৯৪৩’’ জারী করা হয়। ১৯৪৪ সালে সংশোধিত রেশনিং ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে খাদ্য সরবরাহ মফস্বল এলাকা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়।

 

দেশে খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্যশস্যের মূল্য স্থিতিশীল হইয়া আসিয়াছে এমনটি মনে করিয়া তৎকালীন যুক্তফ্রন্ট সরকার ১৯৫৫ সালের শেষার্ধে ‘সিভিল সাপ্লাই বিভাগ’ অবলুপ্ত করেন। ১৯৫৬ সালে ‘বেসরকারী সরবরাহ বিভাগের’ অবয়বে খাদ্য  ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘‘খাদ্য বিভাগ’’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৫ সালে খাদ্য বিভাগকে একটি স্থায়ী বিভাগে রূপান্তরিত করা হয়।

 

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, শেরপুর জেলার প্রধান খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস। অত্রাফিসের মাধ্যমে জেলার প্রত্যেকটি উপজেলায় একটি করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস রয়েছে এবং উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণে শেরপুর সদর, নালিতাবাড়ী, নকলা, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবর্দীতে খাদ্য গুদাম রয়েছে যেখানে সরকারীভাবে ধান, চাল সংগ্রহ করে মজুদ এবং বিলি-বিতরণ করা হয়ে থাকে।

 

  
 

ছবি